চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক হাতুড়ে চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ ছাড়া বরিশালের গৌরনদীতে শিশু, পাবনার আটঘরিয়ায় স্কুলছাত্রী এবং ঢাকার সাভারে গৃহবধূ ও কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

ব্যুরো, অফিস ও নিজস্ব প্রতিবেদকের পাঠানো খবর:

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক মাদ্রাসাছাত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক সঞ্জয় শীলকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরার আশাশুনী উপজেলার গাইয়াখালী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গত ৩১ অক্টোবর সঞ্জয় শীলের কাছে চিকিৎসা নিতে যায় ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার মা। এ সময় মেয়েটিকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে সঞ্জয়। এ ঘটনায় ১ নভেম্বর ভুক্তভোগীর মা বটিয়াঘাটা থানায় মামলা করেন। আসামি এতদিন পলাতক ছিল।

এদিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নয় বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত ৩ নভেম্বরের এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষক শাহনেওয়াজ বেপারীর বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেছেন শিশুটির বাবা।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন দুপুরে সে আঙিনায় খেলছিল। শাহনেওয়াজ তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর ঘটনা কাউকে না বলার জন্য শিশুটির হাতে ৬০ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

এদিকে, সাভারে গৃহবধূ ও কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মিজানুর রহমান নামে এক সৌদি প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ফেসবুকে সৌদি প্রবাসী মিজানুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই গৃহবধূর। সম্প্রতি দেশে তার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে মিজানুর। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাভারের একটি ভাড়া বাড়িতে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

অন্যদিকে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় কিশোরীকে অপহরণের পর বগুড়ায় নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে রেজাউল নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা হয়েছে। মেয়েটির মা এই মামলা করেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ছাড়া পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। মেয়েটি এখন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আটঘরিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত মিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*