বিয়ে আসলে আল্লাহর হাতে : জাহানারা

দেখতে সুদর্শনা, দেশ ও দেশের বাইরে থেকে প্রেম-বিয়ের অসংখ্য প্রস্তাব বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের পেসার জাহানারার জন্য অহরহই!

এই গ্ল্যামারগার্ল অবশ্য দু’বার না ভেবেই ফিরিয়ে দিয়েছেন সব প্রস্তাব। সেটি ক্রিকেটের সঙ্গে থাকা ও দেশকে আরও লম্বা সময় প্রতিনিধিত্ব করার মনোবাসনা থেকেই।

‘বিয়ের প্রস্তাব তো আসে। কিছু পাগলামি(প্রেমের নিবেদন) দেখলে আসলে খুব বেশি অবাক লাগে। আমি এই জায়গায় না থাকলে হয়তো পাগলামি একটু কম থাকত। এক অর্থে ভালোও লাগে। আবার খারাপও লাগে। মাঝে মাঝে মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায়। শুধু দেশে না, দেশের বাইরেও। আমি খুব শক্তভাবে এসব হ্যান্ডেল করি। কারণ এখনই বিয়ে নিয়ে চিন্তা করছি না।’

‘বিয়ে আসলে আল্লাহর হাতে। যখনই তার হুকুম হবে, তখনই হয়ে যাবে। কিন্তু আদর্শ একজন জীবনসঙ্গী মিলে যাওয়া, আর যদি না মিলে, এই দুটি বিষয়ের মধ্যে কনফিউশন থাকে। আমাকে যে বিয়ে করবে সে এবং তার পরিবার ক্রিকেটটা কীভাবে নেবে এসব আমাকে চিন্তা করতে হয়। ক্রিকেট নিয়ে বাইরের ছোট্ট কোনো বাধাও আমি মেনে নিতে পারব না। ক্রিকেটের সঙ্গে তুলনা বা আপোষে আমি যেতে পারব না।’ বাস্তবতাটা এভাবেই সামনে আনেন ২৭ বছর বয়সী জাহানারা।

খেলোয়াড়ি জীবনে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখা থেকে জাহানারার দূরে থাকার কারণ যে অনিশ্চয়তা, সেটি গোপন কিছুও নয়। বিয়ের পর ক্রিকেট খেলতে দেবে তো পরিবার? এমন সংশয় ঘিরে থাকে বলেই আপাতত স্বপ্নকে বিসর্জন টাইগ্রেস তারকার।

‘আমাদের দলে দুজন বিবাহিত মেয়ে আছে। শুকতারা(আয়শা রহমান) ও পিংকি(ফারজানা হক)। তারা ভালো স্বামী পেয়েছে, ভালো শ্বশুর-শাশুড়ি পেয়েছে। আমার ভাগ্যে কী হবে এখনও জানি না। বিয়ে নিয়ে চিন্তা করার আগে যা আমার হাতে আছে, তা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। পরেরটা কিন্তু আমার হাতে নেই।’

‘২-৩ বছর আগে ভেবেছি ৭-৮ বছর খেলবো, এখনও মনে হয় আরও ৭-৮ বছর খেলবো। ক্রিকেট ক্যারিয়ার আরেকটু লম্বা করতে চাই। দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে চাই। দিনে দিনে পারফরম্যান্স ভালো হচ্ছে। যদি তা ধরে রাখতে পারি ইচ্ছা আছে যতদিন ফিটনেস আছে, দেশকে ভালোকিছু উপহার দিতে পারব, খেলে যাবো।’ -স্বপ্নের পরিধী বিস্তার করেন জাহানারা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*