১৬ কোটির ফ্ল্যাট, হীরার গয়না উপহার; তবুও প্রেমিককে ছেড়ে দেন দীপিকা

সিদ্ধার্থ মালিয়া এবং দীপিকা পাডুকোনের সম্পর্ককে প্রায় ওপেন সিক্রেট বলা চলে। এক সময় তাঁদের প্রেমলীলাই ছিল সংবাদ শিরোনামের আনাচে কানাচে।

পাপারাৎজির ক্যামেরা প্রায় সর্বক্ষণই তাঁদের খুঁজত বিভিন্ন পার্টি, বিমানবন্দর এবং বিশেষত আইপিএলের রয়াল চ্যালেঞ্জার্সের খেলায়। সেই খেলার সময় তাঁদের লিপ লকের ভিডিও সাংঘাতিক ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে আজও কথা বলতে নারাজ দীপিকা।

তবে তাঁদের প্রেমালাপ এতটাই ঘনিষ্ঠ ছিল যে একে অপরকে ছাড়া এক মুহূর্তও কাটত না। তবে কেন ব্রেক আপ করলেন দীপিকা। দীপিকাকে রানির মত দেখভাল করতেন সিদ্ধার্থ। এমনটাই শোনা গিয়েছিল সেই সময়। তাঁকে দামি উপহারও দিতেন নিয়মিত।

মুম্বইয়ের ১৬ কোটি টাকার ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে হীরে, প্ল্যাটিনাম ও সোনার গয়নায় ভরে যেত দীপিকার জীবন। দীপিকাকে কেবল সিদ্ধার্থই দামি উপহার দিতেন না। সিদ্ধার্থের বাবা বিজয় মালিয়াও দীপিকাকে ইউবি গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর বানিয়ে দেন।

মালিয়া গ্রুপের কিংফিশার ক্যালেন্ডারের জন্য মডেলিং করতেন দীপিকা। সেখান থেকেই গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রিতে পদার্পণ তাঁর।

যদিও মডেলিং করার সময় সিদ্ধার্থ মালিয়াকে ডেট করা শুরু করেননি তিনি। মডেলিংয়ের পর বলিউড ডেবিউ। সেখান থেকে রণবীরের সঙ্গে প্রেম।

রণবীরের সঙ্গে প্রেমকাহিনীতে ইতি টানার পরই সিদ্ধার্থের সঙ্গে প্রেমালাপ শুরু। তারপরই তাঁদের রাসলীলা হয়ে ওঠে পেজ থ্রি-র সেরা খবর। দীপিকাকে দামি উপহার দিয়ে সিদ্ধার্থ মুগ্ধ করার চেষ্টা করতে থাকেন। তাতে মুগ্ধ হন ঠিকই, তবে সম্পর্কটি বেশিদিন টেকাতে পারলেন না।

একদিন ডিনার ডেটে সিদ্ধার্থ দীপিকাকে খাবার বিল মেটাতে বলেন তাতেই চটে গেলেন অভিনেত্রী। বিল মেটালেও রাগ মেটেনি তাঁর। সেখান থেকে বেরতেই তাঁর প্রথম কাজ ছিল সিদ্ধার্থের সঙঅগে ব্রেকআপ করা।

এই বিষয় সিদ্ধার্থ জানান, “দীপিকা একজন বদ্ধ পাগল মহিলা। আমি ওকে বলেছিলাম বাবাকে সরকার ছেড়ে দিলে, সমস্ত ধার চুকে গেলেই আমি সব টাকা ফেরত দিয়ে দেব ওকে। কিন্তু ও রাজিই ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “দীপিকা হয়তো ভুলে গিয়েছে, আমি ওকে দামি গয়না, হীরে, দামি ব্যাগ দিয়েছি। ঘুরতে গিয়ে ওর জন্য অনেক খরচা করেছি। ওর বন্ধুদের জন্য ওর হয়ে পার্টিও দিয়েছি।”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*