মায়ের সামনেই কৃ’ষক’কন্যা বললো ‘আমি যৌ’নপ’ল্লী’তে ফিরে যে’তে চাই’

২৪ বছর বয়’সী মি’লি (ছ’দ্মনা’ম)। হত’দ’রিদ্র কৃ’ষক পরি’বারে জন্ম তার। বিয়ে হলেও স্বামী সব সময় মা’রধ’র করতেন। স্বা’মীর নি’র্যা’তন আর জী’বি’কার তা’গিদে চলে যান দৌল’তদি’য়া যৌ’নপ’ল্লীতে।

স’ম্প্রতি এক’টি অভি’যো’গের প্রে’ক্ষি’তে যৌ’নপ’ল্লী থেকে তাকে উ’দ্ধা’র করে পুলিশ। তবে মি’লি যৌ’নপ’ল্লীতে’ই ফিরে যেতে চান। আর সেখা’নেই ভালো ছি’লেন বলে জা’নান তিনি। বৃদ্ধ মা-বা’বার সা’মনে এভাবে কথাগু’লো বলেন মি’লি।

ফের কেন যৌ’নপ’ল্লীতে ফি’রতে চান জান’তে চাই’লে মিলি বলেন, বাড়িতে আমা’র ছয় বছর বয়’সী প্র’তিব’ন্ধী ছেলে, বৃ’দ্ধ বাবা-মা ও ছোট ভাই রয়ে’ছে। পরিবারের সবাই আমার ছোট ভা’ই’য়ের ওপর নি’র্ভরশী’ল। এ অব’স্থায় আ’মি বাড়িতে গেলে স’বাই’কে না খেয়ে ম’র’তে হবে। এছা’ড়া আমি নি’ষিদ্ধ প’ল্লীর একজ’ন বা’সিন্দা।

মিলির বা’ড়ি রাজ’বাড়ী সদ’র উ’পজেলা’র প্র’ত্য’ন্ত এ’লাকায়। অ’ভাব, স্বামী’র নি’র্যা’তন ও জী’বিকা’র তা’গি’দে ছয় ব’ছর আগে দৌ’ল’তদিয়া যৌ’নপ’ল্লীতে স্বে’চ্ছা’য় যান তিনি।

সম্প্রতি দৌ’লত’দিয়া যৌ’ন’পল্লী’তে জোর করে মিলি’কে আ’ট’কে রেখে দে’হ’ ব্যব’সা ক’রা’নো হ’চ্ছে’ বলে রাজ’বাড়ী’র এ’সপি ব’রা’বর অ’ভিযো’গ ক’রেন তার মা। এর প্রে’ক্ষি’তে ১৩ নভে’ম্বর সকালে গো’য়া’লন্দ ঘা’ট থানা পু’লিশ দৌল’তদি’য়া যৌ’নপ’ল্লী’র বেবি বা’ড়িওয়া’লির বা’ড়ি থেকে মি’লি’কে উ’দ্ধা’র করে।

উ’দ্ধা’রের খ’বরে থানায় ছু’টে আ’সেন মি’লির বৃ’দ্ধ বাবা-মাস’হ ছো’ট ভাই। তখন পুলিশ ও সাংবা’দি’কদের সা’মনে ত’রুণী জা’নান, কেউ তাকে প’ল্লী’তে জোর করে আ’ট’কে রা’খেনি। তি’নি সেখানে ভা’লো ছিলে’ন এবং আ’বা’রো স্বে’চ্ছায় সে’খানে ফি’রে যা’বেন।

তিনি জা’নান, দরি’দ্র প’রিবা’রে অ’ভাব অন’টনে’র মধ্যে তি’নি বড় হ’য়েছেন। অল্প বয়সে পারি’বারিক’ভাবে এক ছিঁচ’কে চো’রের সঙ্গে তা’র বিয়ে হয়। চু’রি কর’তে গিয়ে ধরা পড়ে প্রায়ই মা’রধ’র’ খে’তেন তা’র স্বামী। বাইরে থেকে মা’র খে’য়ে ঘ’রে ফিরে প্র’তিনিয়’তই তার ওপর নি’র্যা’তন করতে’ন। এতে দিনে দিনে তার সং’সারে ‘অ’শা’ন্তি বা’ড়তে থাকে।

এক সময় তা’দের ঘরে স’ন্তান হয়, কিন্তু প্র’তিব’ন্ধী। এতে স্বামী’র অ’ত্যা’চার’ নি’র্যা’তন আরো বে’ড়ে যায়। এক’পর্যা’য়ে বেঁ’চে ‘থাকার তা’গিদে প্রায় ছয় বছর আ’গে স্বে’চ্ছায় দৌ’লতদি’য়া যৌ’নপ’ল্লী’তে চ’লে যান। এ সময়ে প’ল্লীর হা’লি’মুন, উম্বা’র, সুমি, লাল’মিয়া ও বেবি’র বাড়ি’তে ভা’ড়াটি’য়া হি’সেবে তিনি থাকেন।

তিনি আ’রো জানা’ন, প’ল্লীতে থাকা’কা’লীন দৌল’তদি’য়া ফ’কির’পাড়া এলা’কার একটা ছেলে নিয়’মি’ত তার কাছে আ’সা-যাওয়া কর’ত। সে মা’দ’কা’স’ক্ত ও স’ন্ত্রা’সী প্রকৃ’তির। সেই স’ম্ভ’বত তার পরি’বারের খোঁ’জ করে তাদের দিয়ে পুলি’র কাছে অ’ভিযোগ করি’য়েছে। ওই ছে’লে’টির ই’চ্ছা তাকে বিয়ে করার। কিন্তু তাকে বিয়ে’ করলে তার জীবন’টা আ’বারো অশা’ন্তির মধ্যে পড়বে। সেই’স’ঙ্গে অ’নিশ্চয়’তার মধ্যে প’ড়বে তার প’রিবার।

গো’য়ালন্দ ঘাট থা’নার ওসি আবদু’ল্লাহ আল তা’য়া’র জানান, পরিবারের আ’বেদ’নের প্রেক্ষি’তে তারা দৌ’লত’দিয়া যৌ’ন’পল্লী থেকে মেয়েটিকে উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে আ’ন। সে সম’য় তরুণী জানান, অভাব-অন’টনের কারণে স্বে’চ্ছায় তিনি সেখানে আছেন। তারপরও মে’য়েটিকে তার বাবার হাতে তুলে দি’য়েছেন। মে’য়েটি এখন প্রা’প্তব’য়স্ক। তিনি কো’থায় যা’বেন সেটা একা’ন্তই তার ব্যক্তি’গত বিষ’য়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*