আত্মহত্যা করা তরুণীদের শরীরে মিলতো মুন্নার ‘শুক্রাণু’

এ এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। জঘন্যতম ও খুবই বিব্রতকর অভিযোগ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরই এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দিনের পর দিন ঘটেছে এ ঘটনা।

জানা যায়, লাশকাটা ঘরে অস্বাভাবিকভাবে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরীক্ষা-নীক্ষার মাধ্যমে তাদের মৃত্যুরহস্য উন্মোচন করা হয়। আর লাশকাটা ঘরে ফরেনসিক মেডিসিনের চিকিৎসকদের সহকারীরা ডোম নামে পরিচিত। কিন্তু সেই লাশকাটা ঘরেই একের পর এক মৃত তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের শরীরে মিলেছে একজন ডোমের শুক্রাণু।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইড) ডিএনএ টেস্টে তরণীদের মৃতদেহে শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়ার পর চাঞ্চল্যের তৈরি হয়।

কেন, কী কারণে আত্মহত্যাজনিত ঘটনায় উদ্ধার তরুণীদের শরীরে শুক্রাণুর উপস্থিতি মিলবে-শুরু হয় এই তদন্ত। এরপর বেরিয়ে আসে মর্গে থাকা একাধিক মৃত তরুণীর শরীরে আবার একই ব্যক্তির শুক্রাণু। পরে বেরিয়ে আসে অবিশ্বাস্য এক ঘটনা। মর্গের একজন ডোম দিনের পর দিন মৃত তরুণীর লাশের সঙ্গে এমন বিকৃত কাজ করেছে।

গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত অন্তত সাত তরুণীর মৃতদেহে ওই ডোমের শুক্রাণু পাওয়া গেছে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে মর্গে রাখা মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগে মুন্না ভগত (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মুন্না রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করে। দুই থেকে তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত তরুণীদের ধর্ষণ করে আসছিলো।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার জানান, জঘন্যতম ও খুবই বিব্রতকর অভিযোগ। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতার পরই ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেয়া হতো, সেসব লামের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার জানান, শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*