শ্রীলেখার নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে বন্ধুত্বের ডাক!


শ্রাবন্তী, রাজ চক্রবর্তী, অপরাজিতা আঢ্য-র পর এ বার ভুয়ো অ্যাকাউন্টের চক্করে শ্রীলেখা মিত্রও। তাও আবার পুরুষের নাম দিয়ে! অভিনেত্রীর অভিযোগ, এর আগেও নাকি তাঁর নাম দিয়ে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। কানে এলেও তিনি মনোযোগ দেননি তাতে। এ বারের কাণ্ড সরাসরি চোখে পড়তেই একই সঙ্গে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ শ্রীলেখা।

কী হয়েছে শ্রীলেখার সঙ্গে? অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘দেবাশিস বসু নামের একটি লোক আমার ছবি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খুলে বন্ধুত্বের ডাক পাঠাচ্ছেন। দেখে শুনে হতভম্ব আমি। স্ক্রিন শট নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে সঙ্গে সঙ্গে লিখেওছি, আমার নাম দেবাশিস বসু কবে থেকে হল?’’

একই সঙ্গে মন্দ ভাষায় তিরস্কারও করেছেন অভিযুক্তকে, ‘এই বেজন্মার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন’! অভিনেত্রীর দাবি, যে যেমন ব্যবহারের যোগ্য তাকে তেমনটাই ফেরত দিয়েছেন। যদিও তাঁর কিছু অনুরাগীর মতে, শিক্ষিত শ্রীলেখার মুখে ‘সোনা’, ‘দুষ্টু’ ছাড়া বেশি খারাপ ভাষা মানায় না।

শ্রীলেখার যুক্তি, আমি নিজে ওই লোকটির প্রোফাইল দেখেছি। লোকটি বিকৃতমনস্ক। বেছে বেছে আমার গ্ল্যামারাস ছবিগুলোই ব্যবহার করেছে। সঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য।

এই ঘটনাও নতুন ঘটেনি অভিনেত্রীর সঙ্গে। জানালেন, আগের এক সাক্ষাৎকারে তিনি আনন্দবাজার ডিজিটালকে প্রথম চুমু নিয়ে বলতে গিয়ে বলেছিলেন, কামড়ে কামড়ে ক্যাডবেরি খান। অর্থাৎ, ক্যাডবেরি খাওয়াটাকে রসিয়ে উপভোগ করেন। সেই শব্দবন্ধ অন্য পোর্টালে ব্যবহৃত হয়েছে বিকৃত ভাবে, ‘শ্রীলেখা কামড়ে কামড়ে চুমু খান’!

বিরক্ত অভিনেত্রীর প্রশ্ন, নিজেকে নিয়ে তিনি মজা করতে ভালবাসেন। শরীরচর্চা থেকে কাজকর্ম, সবটাই শেয়ার করেন নিজের সোশ্যাল পেজে। কপটতা, মিথ্যাচার নেই সেখানে। তাই কি তাঁকে এত বিরোধিতা, অন্যায়ের মুখোমুখি হতে হয়?

অন্যায় থামাতে, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা আটকাতে কী পদক্ষেপ করতে চলেছেন অভিনেত্রী? বললেন, ‘‘ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব ঠিক করেছি। নইলে প্রায় রোজ একটি করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা হবে আমার নামে। রোজ তাহলে সাইবার ক্রাইম দফতরে যেতে হবে’’। পাশাপাশি, অনুরাগী নেটাগরিকদেরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। ‘‘আগে এই ধরনের মন্তব্য দেখলে রিঅ্যাকশন পোস্ট করতাম। এখন দেখছি সোশ্যাল বন্ধুরাই আমার হয়ে মুখ খুলছেন। প্রতিবাদ করছেন। ভাল লাগছে। কৃতজ্ঞ ওঁদের কাছে।’’


Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*