প্রধান শিক্ষকদের চাকরি দ্রুত স্থায়ী করতে চায় সরকার!


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চাকরি দ্রুত স্থায়ী করতে কর্মস্থলের ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্য চেয়েছে সরকার।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (পলিসি ও অপরাশেন) খালিদ আহম্মেদ সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষকের নাম-পদবি ও কর্মস্থলের ঠিকানাসহ রাজস্ব খাতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রথম যোগদানের তারিখ ও শিক্ষক পদে যোগদানের তারিখ, প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চাকরিতে প্রথম যোগদানের তারিখ, রাজস্ব খাতে স্থানান্তর/জাতীয়করণের তারিখ জানাতে বলা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন হয়েছে কিনা, সেসব তথ্যও দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া এসিআর অনুযায়ী, চাকরি সন্তোষজনক কিনা তাও জানাতে বলা হয়। নির্ধারিত ছকে এসব তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্যানেল থেকে নিয়োগ পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সকল শূন্য পদ তথা ১৮ হাজার ১৪৭টি পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো প্যানেল করার বিষয় উল্লেখ ছিল না। ফলে, এ নিয়োগে কোনো প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকা করা হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ একটি রুটিন প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতে পদ শূন্য হবে বিবেচনা করে প্যানেল করার কোনো সুযোগ নেই।

দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।


Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*